কী করবেন, কী করবেন না

Posted by:

|

On:

|

[ad_1]

দিনের শুরু যেমন হবে, অনেকটাই তেমনই কাটে পুরো দিনটি। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কিছু অভ্যাস আমাদের শরীর ও মনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের প্রথম ৩০ মিনিটই ঠিক করে দিতে পারে আপনার এনার্জি, হরমোন ব্যালান্স এবং মনোযোগের মাত্রা।

সকালে যা করবেন

ধীরে ধীরে বিছানা থেকে উঠুন

হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই দুই মিনিট সময় নিয়ে ধীরে উঠুন।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন

রাতভর শরীর ডিহাইড্রেটেড থাকে। তাই সকালে পানি শরীরকে রিহাইড্রেট করে ও মেটাবলিজম বাড়ায়। চাইলে এতে লেবু বা মধু মেশাতে পারেন।

সূর্যের আলো নিন

প্রাকৃতিক আলো দেহের ঘড়ি (সারকাডিয়ান রিদম) ঠিক করে, মুড ভালো রাখে এবং ভিটামিন–ডি পেতে সহায়তা করে।

হালকা স্ট্রেচিং বা ব্রিদিং এক্সারসাইজ

১০–১৫ মিনিট হালকা ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং পেশি শিথিল করে।

নিজের জন্য শান্ত একটি মুহূর্ত রাখুন

প্রার্থনা/মেডিটেশন/মাইন্ডফুলনেস—যেটা ভালো লাগে করুন। এই কয়েক মিনিট আপনাকে মানসিকভাবে শক্ত রাখবে সারা দিন।

স্বাস্থ্যকর নাশতার পরিকল্পনা করুন

প্রোটিন, ফাইবার ও হেলদি কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ নাশতা বেছে নিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে: কী করবেন, কী করবেন না সকালে যা করবেন না

সঙ্গে সঙ্গে ফোন ধরবেন না

বিছানা থেকে উঠেই খবর/সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করা মানসিক স্ট্রেস বাড়ায়, মনোযোগ কমায়। প্রথম ৩০ মিনিট ফোন দূরে রাখুন।

খালি পেটে চা বা কফি নয়

এতে এসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক ও উদ্বেগ বাড়তে পারে। নাশতার পর কফি নিন।

খুব বেশি সময় বিছানায় কাটাবেন না

অতিরিক্ত ‘গড়াগড়ি’ করতে থাকলে শরীরের ঘুম–জাগা রিদম নষ্ট হয়, অলসতা বাড়ে।

মিষ্টি বা প্রক্রিয়াজাত খাবার দিয়ে দিন শুরু নয়

চিনি–সমৃদ্ধ খাবার রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়ায় এবং দ্রুত কমিয়ে ক্লান্তি আনে।

পুষ্টিবিদের পরামর্শ

পুষ্টিবিদ ডায়েটিশিয়ানরা বলেন, ‘আমরা দিনের শুরুতে যা খাই–দাই ও করি, সেটাই আমাদের এনার্জি, ওজন নিয়ন্ত্রণ, এমনকি মানসিক অবস্থাকেও প্রভাবিত করে। ফল, ডিম, ওটস, বাদাম বা দই–জাতীয় খাবার দিয়ে দিন শুরু করুন। চেষ্টা করুন অন্তত ১৫ মিনিটের ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি রাখতে।’

আরও বলেন, ‘খালি পেটে কফি বা ভারী তেলে–ভাজা খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। আর ফোনে স্ক্রলিং নয়—মস্তিষ্ককে একটা নরম শুরু দিন।’

শেষ কথা

সকাল বদলে দিতে পারে আপনার পুরো দিন। তাই ছোট কিছু অভ্যাসে মন দিন—হাইড্রেশন, শ্বাস–প্রশ্বাস, প্রাকৃতিক আলো এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। আপনার শরীর ও মনই বলবে পার্থক্যটা।



[ad_2]

Source link

Posted by

in

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *